27.7 C
Kolkata
Sunday, August 2, 2026
spot_img

‘শুধু রিলে ক্ষমা, নাকি বাস্তবেও?’ মোদীর নতুন ‘হ্যালো ফ্রেন্ডস’ ভিডিওর পরই পাল্টা প্রশ্ন CJP প্রধানের

নয়াদিল্লি: শুক্রবার গভীর রাতে ফের ‘ফ্রেন্ডস’-দের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। যেখানে তিনি অভিযোগ করেন, সিজেপি আন্দোলনের সময় তাঁকে এবং তাঁর পরলোকগত মাকে নিয়ে যে আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছিল, তা অত্যন্ত কষ্টদায়ক। তবুও তিনি অভিযুক্তদের ক্ষমা করে দিতে চান। সমাজের প্রতিও তাঁর আবেদন, তরুণদের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হোক। তাঁর (Narendra Modi) কথায়, “রাগ-ক্ষোভ সমাজে আছে, কিন্তু ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিক পথ দেখানো আমাদের দায়িত্ব। শুধু শাস্তি দিয়ে কাউকে সংশোধন করা যায় না।”

Facebook link: http://facebook.com/reel/1039668075191569/?s=single_unit

প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তার পরই এক ১৫ বছরের কিশোরীর ক্ষমাপ্রার্থনার ভিডিওও ভাইরাল হয়েছে। যেখানে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, “আমি একজন ১৫ বছরের কিশোরী। বন্ধুদের সঙ্গে সিজেপি আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলাম। সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে (Narendra Modi) নিয়ে কুকথা বলা আমার ভুল হয়েছে। আমি সমগ্র দেশের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী”! ওই তরুণীর ভিডিও কি সত্যিই অনুতাপের? না-কি সে কোনও রাজনৈতিক চাপের শিকার?

এই প্রশ্ন যখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোরাফেরা করছে তখনই সামনে এল আরশোলা-প্রধান অভিজিৎ দিপকের (Abhijit Dipke) একটি মন্তব্য। নরেন্দ্র মোদীর ভিডিও বার্তার পরই ইনস্টাগ্রামে তাঁর পোস্টের নীচে মন্তব্য করেন অভিজিৎ দিপকে। তিনি লেখেন, “শুধু রিলেই ক্ষমা করবেন, নাকি বাস্তবেও বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া FIR-গুলো প্রত্যাহার করা হবে?”

CJP-র দাবি, আন্দোলন প্রত্যাহারের সময় সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলি তুলে নেওয়ার বিষয়ে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দলের অভিযোগ, সব মামলা প্রত্যাহার তো হয়নি-ই, বরং আন্দোলনে অংশ নেওয়া বহু ছাত্রছাত্রীকে নতুন করে চিহ্নিত করে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হচ্ছে। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) ‘ক্ষমার বার্তা’কে সামনে এনে প্রশ্ন তুলেছেন দিপকে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। অনেকেরই মতে, অভিজিৎ দিপকে (Abhijit Dipke) শুরু থেকেই প্রধানমন্ত্রীকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করে একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। এমনকি তাঁর গায়ের রং নিয়েও কটাক্ষ করার অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে, আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে না আশ্বাস দিলেও বাস্তবে তা ঠিকমত প্রতিফলিত হচ্ছে না, বলেও অভিযোগ উঠছে।

ফলে সমালোচকদের একাংশের প্রশ্ন, ছাত্রদের দাবি-দাওয়ার আন্দোলন কি ধীরে ধীরে ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের মঞ্চে পরিণত হচ্ছে? যদিও CJP-র বক্তব্য, তাদের মূল দাবি এখনও শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার নিষ্পত্তি।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন