Aaj lndia Desk,কলকাতা: আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে , আগামী ২‑৩ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের কিছু অংশে কালবৈশাখীর তাণ্ডব শুরু হতে পারে।তবে শুধু কলকাতা না পাশাপাশি , হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার অনেক এলাকায় বজ্রপাতের সঙ্গে প্রবল বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়া চলবে। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০‑৬০ কিমি পর্যন্ত পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই কলকাতার কিছু এলাকা থেকে বৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে।
আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের নদীয়া, হাওড়া ও হুগলি জেলার বিভিন্ন এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বল বৃষ্টি এবং হালকা শিলাবৃষ্টির ও সম্ভাবনা রয়েছে।কালবৈশাখী ঝড় সাধারণত দ্রুত তৈরি হয় এবং ক্ষণিকের মধ্যে তাণ্ডব চালায়, তাই সাধারণ মানুষকে বিশেষ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এছাড়াও বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার প্রবাল সম্ভাবনার জেরে আগাম সর্তকতা থাকারও নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর ।গাড়ি চালানোর সময় সতর্ক থাকা, এবং প্রয়োজন না হলে বাইরে বের না হওয়া কথাও বলেছেন পাশাপাশি বাগান, খোলা জায়গা বা নদীর ধারে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে বলেও বলেন।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরণের কালবৈশাখী সাধারণত এপ্রিল-মে মাসে ঘটে, কিন্তু গত কয়েক বছরে এর তীব্রতা বেড়েছে। কলকাতা শহরের সড়ক ও উচ্চতর স্থানে জম জমার কারণে যানজট এবং সংক্ষিপ্ত স্থায়ী সমস্যা দেখা দিতে পারে এমন ও সম্ভবনা রয়েছে।
আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, আসন্ন কয়েকদিন বাংলার আকাশ-মেঘের তাণ্ডব অব্যাহত থাকতে পারে। বুধবারও একই ধরনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, এমনকি কিছু অঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।আবহাওয়াবিদদের মতে, বিহার থেকে মণিপুর পর্যন্ত বিস্তৃত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা চলছে। এই অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গ, অসম ও বাংলাদেশের ওপর দিয়ে অতিক্রম করেছে। একই সঙ্গে বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় ঘূর্ণাবর্তও রয়েছে। এর ফলে বাতাসে প্রচুর জলীয় বাষ্প প্রবেশ করছে।
ফলে, বাংলার আকাশে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হচ্ছে, যা ঝড় ও প্রবল বৃষ্টির জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করাচ্ছেন, এই পরিস্থিতি আগামী বেশ কয়েকদিন পর্যন্ত বজায় থাকতে পারে।
অন্যদিকে ,উত্তরবঙ্গের আকাশও বিশ্রাম দিচ্ছে না। প্রায় প্রতিদিনই ঝড়-বৃষ্টি চলছে, এবং আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী মঙ্গলবার ও বুধবার উত্তরবঙ্গের সব জেলায় হালকা থেকে মাঝারি ঝড়বৃষ্টি হতে পারে।বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলায় শিলাবৃষ্টি এবং বজ্রপাতের সম্ভাবনা বেশি। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি এলাকায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে, যা স্থানীয় জীবনযাত্রায় অসুবিধা সৃষ্টি করতে পারে।ঝড়ের সঙ্গে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০-৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গের সব জেলায় বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। বজ্রবিদ্যুৎ, প্রবল বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার কারণে দূরবর্তী এলাকায় ভ্রমণ এবং খোলা জায়গায় অবস্থান ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।


