Aaj lndia Desk, কলকাতা: যুবসাথী (Banglar Yuva Sathi Scheme) প্রকল্পের ১,৫০০ টাকার অর্থ নেওয়ায় অনেক যুবক-যুবতী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এই নিয়ে রবিবার মানবাজারে অনুষ্ঠিত সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)সরাসরি কথা বলেন। তিনি জানান, যারা এখনও এই সাহায্যের টাকা পাননি, তাঁদের জন্য নির্দিষ্ট করণীয় আছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মানবাজারের সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) জানালেন, “যাদের দরখাস্ত জমা দিলেও টাকা এখনও পৌঁছায়নি, তাঁদের আবেদনগুলো ডুপ্লিকেট হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। এগুলো পরে পুনঃনিরীক্ষণ ও সংশোধনের মাধ্যমে সমাধান করা হবে। নিশ্চয়ই সকলেই এই অর্থ পাবেন।”
রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেটে ঘোষিত ‘যুবসাথী’ (Yuva Sathi)প্রকল্পের আওতায় রাজ্য সরকার অর্থ সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছিল। যদিও অফিসিয়ালি টাকা বিতরণ শুরু হওয়ার তারিখ ছিল ১ এপ্রিল, কিন্তু ৭ মার্চ থেকেই প্রকল্পের অর্থ ঢুকতে শুরু করেছে। এর পরপরই বিভিন্ন অভিযোগ উঠে এসেছে অনেক আবেদনকারীর টাকা এখনও হয়নি। কেউ কেউ মোবাইলে টাকা আসার SMS পেয়েছেন, তবু অ্যাকাউন্টে সেই অর্থ জমা হয়নি। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে “ফেলিওর” মেসেজও এসেছে।
যুবসাথীর এই দেড় হাজার টাকাকে অনেকেই “ভিক্ষার টাকা” বলে কটাক্ষ করেছে। তাদের দাবি, চাকরি দিতে অক্ষম সরকার ভাতা দিয়ে ভোট কিনতে চাইছে। আবার বিজেপির মতো বিরোধীরা এই প্রকল্পগুলিকে সামনে রেখেই ভোটে জিতলে দ্বিগুণ টাকার কথাও বলছে। এ নিয়েও এ দিন মমতা বলেন, ‘যুবসাথী ভিক্ষা বা ভাতা নয়। যারা আবেদন করছেন, তাদেরও একদিন জীবিকা হবে। এটা পকেটমানি। যাতে তারা নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে।
যুবসাথীর ১,৫০০ টাকা নিয়ে কিছু রাজনৈতিক সমালোচক এটিকে ‘ টাকা’ বলে কটাক্ষ করেছেন। তাদের দাবি, চাকরি দিতে অক্ষম সরকার শুধু ভোটের জন্য ভাতা দিচ্ছে। আবার বিজেপির মতো বিরোধীরা এই প্রকল্পকে সামনে রেখে ভবিষ্যতে দ্বিগুণ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পর্যন্ত দিচ্ছেন। এ নিয়ে মানবাজারের সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “যুবসাথী কোনো ভিক্ষা বা ভাতা নয়। যারা আবেদন করছেন, একদিন তাদেরও জীবিকা হবে। এটি এক ধরনের পকেটমানি, যাতে তারা নিজ পায়ে দাঁড়িয়ে স্বাবলম্বী হতে পারে।”


