32 C
Kolkata
Sunday, March 29, 2026
spot_img

নির্বাচনের আগে তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ নেতাদের মাঠে নামার নির্দেশ মমতার

Aaj India Desk,পুরুলিয়া: রাজ্যের সব প্রান্তে ভোটের প্রচারে নামা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)এবার সরাসরি বার্তা দিলেন বিক্ষুব্ধ দলের কর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশ্যে। হোটেলে ডেকে সকলকে একত্রিত করে তিনি স্পষ্টভাবে জানালেন, এখন সময় কাজের, ঝামেলার নয়।

একসঙ্গে কাজ করার বার্তা আজকের নয়, এটি লোকসভা নির্বাচনের সময় থেকেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়ে আসছে। দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) ইতিমধ্যেই বলেছিলেন, দলের সবাইকে মিলেমিশে কাজ করতে হবে। এবার আসছে বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election)। জেলার বিভিন্ন বিধানসভা এলাকায় দলের মধ্যে অচিরেই ক্ষোভের প্রকাশ দেখা যায়েছিল, যা নির্বাচনের প্রাক্কালে আরও বেড়ে যায়। প্রার্থী নির্বাচনের আগে থেকেই দলীয় নেতৃত্ব বিভিন্ন এলাকায় সরাসরি মত প্রকাশ করতে শুরু করেছেন।

কেউ কেউ দলের বিদায়ী মন্ত্রীর কাজ নিয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করায় রাজ্য নেতৃত্বের কাছে ক্ষোভ পৌঁছেছিল। আজ জেলায় প্রচারে এসে সেই বিক্ষুব্ধদের হোটেলে ডেকে পাঠান তৃণমূলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মানবাজার বিধানসভার বিক্ষুব্ধদের পাশাপাশি জয়পুর বিধানসভার নেতৃত্ব, জেলা আইএনটিটিইউসির সভাপতি উজ্জল কুমার ও পুরুলিয়া পৌরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলার বৈদ্যনাথ মন্ডলকেও ডাকা হয়। তাঁদের সঙ্গে বৈঠক করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাদের ক্ষোভ শোনেন এবং নির্বাচনের কাজে যুক্ত হওয়ার নির্দেশ দেন।

সূত্রের খবর, মানবাজার বিধানসভার বিদায়ী বিধায়িকা ও রাজ্যের মন্ত্রী সন্ধ্যা রানি টুডু’র বিরুদ্ধে দলের নেতৃত্ব ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তাদের দাবি, নিজের এলাকায় যথাযথ উন্নয়ন হয়নি এবং সন্ধ্যা কর্মীদের গুরুত্ব দিচ্ছেন না।তবে পরিস্থিতি আরও জটিল হয় পুরুলিয়া পৌরসভায়। সঠিক উন্নয়ন না করার অভিযোগে রাজ্যের নগর উন্নয়ন দফতর তৃণমূল পরিচালিত পুরুলিয়া পৌরসভার পৌরবোর্ড ভেঙে দেন। এরপর থেকেই দলের কাউন্সিলররা বিক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন। প্রার্থী ঘোষণার পরেও তারা দলের হয়ে প্রচারে অংশ নেননি। একাধিক মিটিং ডাকা হলেও সেই মিটিংয়ে অনুপস্থিত ছিলেন তারা।এমন পরিস্থিতিতে দলের পক্ষ থেকে ১৯নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও সি আই সি বৈদ্যনাথ মন্ডলকেও ডেকে পাঠানো হয়। সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে দলীয় প্রার্থীর হয়ে ভোটে নামতে এবং প্রচারে যুক্ত হতে নির্দেশ দেন।

যদিও বিক্ষুব্ধরা জানিয়েছেন, তারা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মেনে মাঠে নামবেন। জেলা সভাপতি রাজীব লোচন সোরেন বলেন, “কিছু জায়গায় ত্রুটি রয়েছে। সেই সমস্যার সমাধানেই আজকের আলোচনা। যারা দলকে সত্যিই ভালোবাসেন, তাদের উচিত ব্যক্তিগত ইগো ও অপমান ভুলে গিয়ে বিজেপিকে হারানোর লক্ষ্যে কাজ করা।”

 

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন